সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস (সাস)(SAAS) কি? বিগিনার দের জন্য সম্পূর্ন গাইডলাইন

সাম্প্রতিক কালে সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস বা সাস একটি বুমিং ইন্ডাস্ট্রি হয়ে দাড়িয়েছে। শতকরা ৫৬ ভাগ কোম্পানি তাদের বিজনেসে সাস মডেল এর ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছে। তাই বলা যায় সাস ব্যবহারের উপযুক্ত সময় এখনই। তবে যেখানে সুবিধা বেশী সে অনুপাতে চ্যালেন্জ ও আসে বেশী। তাই কখন এবং কিভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে তা বুঝতে পারাও অনেক চ্যালেন্জ এর মধ্যে একটি।  

সফটওয়্যার এজ এ সার্ভিস (সাস) কি ?

সাস মূলত একটি সফটওয়্যার ডিস্ট্রিবিউশান মডেল, যাতে থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন গুলোকে হোস্ট করে এবং অনলাইন সাবস্ক্রিপশান এর মাধ্যমে ক্লাইন্ট কে সেবা প্রদান করে। যথারীতি সাস কোম্পানি, সাস প্রোডাক্ট কে হোস্টিং এবং যথাযথ ভাবে পরিচালনা করে থাকে।

 

 ক্লাউড কম্পিউটিং এর তিনটি ক্যাটাগরীর মধ্যে একটি হচ্ছে সাস, বাকি দুটি হলো ইনফ্রাস্টাকচার এজ এ সার্ভিস (লাস) এবং প্লাটফর্ম এজ এ সার্ভিস (পাস)। সাস ব্যবহারের ফলে কোম্পানি গুলোকে বিভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করার প্র্রয়োজন পড়ে না, বরং তারা নিজেদের ডাটা সেন্টারেই সব ধরনের কাজ পরিচালনা করতে পারে।

 

সাধারনত একটি কোম্পানি দৈনিক ১৬ টি সাস এপ ব্যবহার করে থাকে। নেটফ্লিক্স থেকে শুরু করে এডভান্স আইটি টুল পর্যন্ত সব কিছুই সাস প্রোডাক্ট এর রেন্জ এর মধ্যে পড়ে। বি2বি এবং বি2সি উভয় বিজনেস মডেল  এর জন্যই সাস প্রোডাক্ট কাজ করে। McKinsey & Company এর ডাটা অনুযায়ী ২০২৪ সালের মধ্যেই সাস প্রোডাক্ট এর বিজনেস গ্রোথ $২০০ বিলিয়নে দাড়াবে।

 

সাস কিভাবে কাজ করে?

 

সাধারণত সাস এপ্লিকেশান একটি মাল্টি ট্যানেন্ট এপ্রোচ এর মাধ্যমে কাজ করে। একটি সফটওয়্যার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কোম্পানীর তথ্য এবং এপ্লিকেশন গুলোকে হোস্ট করে; এর নিজস্ব সার্ভার, ডাটাবেজ, নেটওয়ার্কিং এবং কম্পিউটিং রিসোর্স এর মাধ্যমে। এই এপ্লিকেশন টিতে নেটওয়ার্ক সংযুক্ত যেকোন ডিভাউস কে কানেক্ট করা যায়। 

 

সুতরাং সাস এপ্লিকেশন কে একটি রেডিমেড সল্যুশান বলা যায়, যাতে এপ্লিকেশান সেটআপ বা পরিচালনার কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। ইউজারকে শুধু সফটওয়্যারটিতে এক্সেস নেয়ার জন্য সাবস্ক্রিপশান ফি দিতে হয়। 

 

সফটওয়্যার অন ডিমান্ড সাস মডেলে, সাস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কাস্টমার কে একটি নেটওয়ার্ক বেজড এক্সেস এর সিঙ্গেল কপি প্রদান করে। এই এপ্লিকেশান টি মূলত সাস ইউজার দের জন্য স্পেসিফিকেলি তৈরী করা। সব কাস্টমার এর জন্য এপ্লিকেশান টির সোর্স কোড একই থাকে, আর নতুন কোন ফিচার আসলে তারা সব কাস্টমারকে তা অবগত করে দেয়। তাদের সার্ভিস লেভেল এগ্রিমেন্ট এর ওপর নির্ভর করে কাস্টমারের ডাটা গুলো লোকালি স্টোর করা হবে নাকি লোকালি এবং ক্লাউড দুই জায়গায়ই স্টোর করা হবে।

 

কোন প্রতিষ্ঠান এপ্লিকেশান প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস এর মাধ্যমে সাস এপ্লিকেশান এর সাথে অন্য যেকোন এপ্লিকেশান সংযুক্ত করে ব্যবহার করতে পারে। যেমন একটি প্রতিষ্ঠান এর নিজস্ব টুলস তারা নিজেই বানিয়ে নিয়ে তা API দ্বারা ব্যবহার করতে পারে।

সাস এর বৈশিষ্ঠ্য

সাস মডেল কে সহজে বোঝার জন্য “ব্যাংক” কে এর উদাহরন হিসেবে নেয়া যেতে পারে। ব্যাংক প্রত্যেক কাস্টমারের প্রাইভেসি ঠিক রেখে বিশ্বাসযোগ্য এবং সিকিওর সার্ভিস প্রদান করে। কাস্টমাররা একই ফিনেন্সিয়াল সিস্টেম এর আওতায় নিজেদের ব্যাক্তিগত একাউন্ট এ প্রবেশ করতে পারে। ব্যাংক এবং সাস মডেল এর বৈশিষ্ট্য অনেকটাই একরকম। যেমন:-

 

মাল্টি-টেনেন্ট আর্কিটেকচার 

 

মাল্টি-টেনেন্ট আর্কিটেকচার হলো একটি এপ্লিকেশান এর সকল ইউজার একটি কমন ইনফ্রাস্টাকচার বা কোড শেয়ার করে, যেটি এক কেন্দ্রেই পরিচালিত হয়। কারন সাস বিক্রেতা গণ একই কোড কে ভিত্তি ধরে তাদের কাজ পরিচালনা করে। বিক্রেতারা খুব দ্রুত নতুন আপডেট আবিষ্কার করে এবং তা সেইভ করে রাখে।  

সহজ কাস্টমাইজেশান

 

কাস্টমার কমন ইনফ্রাস্টাকচার টিকে এফেক্ট না করে নিজের ব্যবসায়ের জন্য ফিট এমন কাস্টমাইজ এপ্লিকেশান তৈরী করে নিতে পারেন। সাস এপ্লিকেশন টি এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন ইউজার দের কাস্টমাইজড এপ্লিকেশান টি অন্য কোম্পানির চেয়ে অনেক বেশী ইউনিক হয়। এমনকি এই আপগ্রেড গুলো কম খরচেই তৈরী করে নেয়া যায়।

দ্রুত এক্সেস

সাস মডেলের গ্রাহক রা খুব দ্রুত এবং সহজেই যেকোন ডিভাইস (যেমন: ডেস্কটপ, ল্যপটপ, ট্যবলেট এবং মোবাইল ফোন) থেকে এক্সেস নিতে পারে। এটি মনিটর ডাটা ব্যবহার করে বলে সকল গ্রাহক একই তথ্য একই সময়ে দেখতে পারে। 

সাস এর সুবিধা

সাস ব্যবহারের ফলে একটি প্রতিষ্ঠানকে বার বার একাধিক এপ্লিকেশান ইন্সটল বা রান করানোর প্রয়োজন পড়ে না। হার্ডওয়্যার পরিচালনার ব্যয়, এদের পরিচালনা, সফটওয়্যার এর লাইসেন্স, সাপোর্ট ইত্যাদি অনেক ঝামেলা বহুল কাজকে এড়ানো যয়ি সাস এর মাধ্যমে। সাস মডেল এর আরো কিছু সুবিধাদি হলো

স্বল্প খরচ

 

কাস্টমার সাস অফারিং সাবস্ক্রিপশান নিয়ে নেয়ার পর তাকে কোন সফটওয়্যার কিনে তা ইনস্টল করা, এবং সেগুলো পরিচালনার জন্য হার্ডওয়্যার নেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। এটি ব্যবহারের ফলে একটি ব্যবসায় পরিকল্পিত বাজেট তৈরী সহজসাধ্য হয়।

অটোমেটিক আপডেট

সাস মডেল টি গ্রাহক দের অটোমেটিক আপডেট এর সুবিধা প্রদান করে থাকে। একে “প্যাচ ম্যানেজমেন্ট” বলেও অভিহিত করা হয়। এটি আই টি স্টাফ দের বোঝা অনেকাংশেই কমিয়ে ফেলতে পারে।

গ্রাহক চাহিদা অনুযায়ী সেবা প্রদান

ক্লাউড সার্ভিস এর সাস অফারিং টি হাই ভার্টিকেল স্ক্যাল নামেও পরিচিত। কম বেশী যেকোন সংখ্যক কাস্টমার এতে এক্সেস নিতে পারে এবং তাদের ইচ্ছানুযায়ী সার্ভিস এর ফিচার গুলোও কাস্টমাইজ করে নিতে পারে।

সাস এর অসুবিধা বা চ্যলেন্জ সমূহ

অনেক সুবিধার পাশপাশি সাস মডেল এর কিছু অসুবিধাও বিদ্যমান। কারন সাস সফটওয়্যার পরিচালনা করার জন্য বাইরের বিক্রেতাদের ওপরে নির্ভর করতে হয়, বিজনেস এর অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্যাদি ট্র‌্যাক এবং রিপোর্ট, এমনকি বিলিং জাতীয় সব তথ্যই ভেন্ডর দের অবগত থাকে। তাই নানা রুপ সমস্যা উদ্ভব হতে পারে। এগুলো হলো

কাস্টমার কন্ট্রোল জনিত সমস্যা

 

সাস মডেলে যখন কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি তৈরি হয় তখন সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে অনিচ্ছাকৃত পরিবর্তন নিয়ে আসতে হয়। এর ফলে সিকিউরিটি জনিত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই সমস্ত সমস্যা গুলোর কারনে কাস্টমার গন সাস ব্যবহারে গভীর সমস্যার মুখোমুখি হন। এ ধরনের সমস্যা গুলো এড়াতে কাস্টমারকে সাস প্রোভাইডারের এগ্রিমেন্ট টিকে ভালোভাবে বুঝে তারপর এর গ্রাহক হওয়া উচিত।

ভার্শনিং সমস্যা

সাস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যখন একটি নতুন ভার্সন এপ্লাই করেন, তখন তা সমস্ত কাস্টমার এর সাস মডেলে আপডেট হয়ে যায় (কাস্টমার নতুন ভার্সনটি পছন্দ করুক বা না করুক)। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন রিসোর্স এর ট্রেইনিং করার জন্য এক্সট্রা সময় ব্যয়ের প্রয়োজন পড়ে।

 

সার্ভিস পরিবর্তজনিত সমস্যা

 

যেকোন ক্লাউড সার্ভিসে সাস ভেন্ডর পরিবর্তন করতে চাইলে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। কারন ভেন্ডর পরিবর্তন এর ফলে বিশাল পরিমান বিজনেস এর ডাটা ট্রান্সফার করার প্রয়োজন হয়। আবার কিছু ভেন্ডর প্রোপাইটারি টেকনোলজি ব্যবহার করে বলে এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানি তথ্যাদি মাইগ্রেট করানো সহজ হয় না। 

সাস ভেন্ডর’স

সাস মার্কেটে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ভেন্ডর ও পন্য অন্তর্ভুক্ত। এই মার্কেট এর বিগ ফিস বলা যায় AWS এবং গুগল কে। বিজনেস এর প্রাথমিক এপ্লিকেশান সমূহ যেমন ই-মেইল, কাস্টমার রিলেনশিপ ম্যানেজমেন্ট, সেলস ম্যানেজমেন্ট, হিউমেন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, বিলিং ইত্যাদি। এছাড়াও নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ভিন্ন ধরনের সাস প্রোডাক্ট, যথা ইন্সুর‌্যান্স বা মেডিকেল, এগুলো ভার্টিক্যাল সাস প্রোডাক্ট নামে পরিচিত। 

সাস প্রোডাক্টের উদাহরন

 

সাস প্রোডাক্ট গুলো সাধারনত বি২বি এবং বি২সি মার্কেট করা হয়। জনপ্রিয় সাস প্রোডাক্ট গুলো তে অন্তর্ভূক্ত

  • Salesforce
  • Google Workspace apps
  • Microsoft 365
  • HubSpot
  • Trello
  • Netflix
  • Zoom
  • Zendesk
  • DocuSign
  • Slack
  • Adobe Creative Cloud
  • Shopify
  • Mailchimp

সাস এর খরচ

একটি ট্রেডিসনাল সফটওয়্যার লাইসেন্স এর চেয়ে সাস প্রোডাক্ট অনেক কম খরচে ব্যবহার করা যায়। সাস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কাস্টমার দের জন্য বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশান বেইজড মডেল তৈরী করে।

 

  • ফ্রি বা এড বেজড: সাস প্রোভাইডার সকল কাস্টমার দের জন্য একটি ফ্রি অপশন দিয়ে থাকে।
  • ফ্ল্যাট রেইট: ফিক্সড একটি খরচ মাসিক বা এনুয়ালি দিতে হয়।
  • পার ইউজার: একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কতজন ইউজার এক্সেস নিবে সেই অনুপাতে প্রাইসিং ঠিক করা হয়।
  • স্টোরেজ টায়ার: স্টোরেজ এর ফ্রি লিমিট শেষ হয়ে যাবার পর এক্সট্রা স্টোরেজ ব্যবহারের জন্য আলাদা চার্জ দিতে হয়।
  • প্রিমিয়াম: এন্ট্রি লেভেল এর টায়ার এর জন্য ফ্রি কিছু সার্ভিস প্রদান করা হয়। এটি এমন ভাবে ডিজাইন করা যে বিশেষ কোন ফাংশন ব্যবহারের জন্য পেইড টায়ার এর প্রয়োজন হয়।

সাস ব্যবহারের আগে বিবেচ্য বিষয়সমূহ

একটি প্রতিষ্ঠান সাস মডেল নেয়ার আগে, কিছু বিষয় বিবেচনা করে নেয়া ভালো। যেমন

 

  • প্রাতিষ্ঠানের টার্গেট অডিয়েন্স নিয়ে জানা এবং সঠিকভাবে মার্কেট রিসার্চ করা।
  • সাস মডেল টিকে যেকোন বিজনেস মডেল অনুযায়ী কাস্টমাইজ করা যাবে কিনা।
  • সাস মডেল এর ফিচার গুলো ব্যবসায়ে ত্রুটিমুক্ত ভাবে ব্যবহার করা যাবে কিনা।
  • বাজেট সম্পর্কে সঠিক ধারনা নেয়া।
  • প্রোটোটাইপ লঞ্চ করা।

 

 

পরিশেষে

খুব অল্প সময়ে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সাস মডেল দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। ক্লাউড এপ্রোচ কাস্টমার কোম্পানি গুলোকে এন্ড-টু-এন্ড ইন্টেগ্রেটেড সল্যুশন সেবা প্রদান করে, যা বিশাল হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ইন্সটলেশন ছাড়াই করা যায়। 

 

বর্তমান সময়ে হাই ভলিউম তথ্যের ব্যবহার, সফটওয়্যার ইন্সটলেশান ও ব্যাকআপ এর জন্য কাস্টমার দের কাছে ক্লাউড কম্পিউটিং এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। তাই আপনি যদি ক্লাউড কম্পিউটিং বা সাস প্লাটফর্ম এ মুভ করতে চান তবে এটাই বেস্ট সময় আপনার জন্য কোন সাস মডেল টি যথাযথ তা খুজে বের করা এবং তাতে ট্রান্সফার হয়ে যাওয়া।

Share:

More Posts

১০ টি অতূলনীয় সোশ্যাল মিডিয়া টিপস (Social Media Tips) যা আপনাকে কেউ বলবে না !

যতই দিন যাচ্ছে সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং ততোই প্রতিযোগীতাপূর্ণ হচ্ছে। আর পেইড মার্কেটিং খুব নাটকীয় ভাবে খেই হারিয়ে ফেলছে। প্রত্যেকটি প্লাটফর্মই চায় আপনি তাদের মিডিয়ায় খরচ

ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) vs গ্রোথ হ্যাকিং (Growth Hacking): কি পার্থক্য? কেন শিখবেন?

সমানুপাতিক আর ব্যস্তানুপাতিক ছোটোবেলার খুব পরিচিত দুইটি শব্দ, তাইনা? সমানুপতিক নীতি হলো দুইটি রাশির ফলাফল সমান-সমান, অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটিং পজিটিভ ফলাফল আনলে গ্রোথ হ্যাকিং ও

বেস্ট লিডারশিপ বই (Best Leadership book) যা আপনাকে ২০২৩ এ পড়ে শেষ করতেই হবে !

লিডারশিপ সাহিত্য (আমি কিন্তু রোমান্টিক কোন সাহিত্যের কথা বলছি না), একটি অসাধারণ রিসোর্স যেকোন লিডারের জন্য, যা তাদের স্কিল গুলোকে আরো শাণিত করতে, যা বর্তমান

বিশেষ ছয় জন বিজনেস লিডার (Business Leader) যাদের আপনি আইডল (Idol) হিসেবে নিতে পারেন!

দক্ষ লিডারশিপের মাধ্যেমেই দীর্ঘমেয়াদি সফলতা অর্জিত হয়। বিজনেস ওয়ার্ল্ডে হাতে গোনা কয়েকজন বিজনেস লিডার রয়েছেন যারা ক্লিয়ার ভিশন তৈরী করেন এবং দক্ষতার সাথে বিজনেস কে

Send Us A Message